অর্থনৈতিকভাবে বিপর্যস্ত পাকিস্তানে এখন চলছে রাজনৈতিক সন্ধিক্ষণ। বিপুল জনপ্রিয় ইমরান খানকে আটকে দিতে নির্বাচন কমিশন নানা কৌশল নিচ্ছে। সংসদীয় আসনের সীমানা পুনর্নিধারণসহ বিরোধীদের সময় দিতে নির্বাচন পিছিয়ে দেয়ার ঘটনা ঘটেছে। আবার তিনি প্রধানমন্ত্রী হলেও সেটি হবে দক্ষিণ এশিয়ার পরমাণু শক্তিধর দেশটির জন্য বিপর্যয়কর।
এদিকে, যুক্তরাজ্যে নির্বাসন থেকে ফিরে ফের সক্রিয় হয়ে ওঠেছেন পাকিস্তানের সাবেক তিনবারের প্রধানমন্ত্রী নওয়াজ শরিফ। ২০১৮ সালে যে দুর্নীতি মামলায় তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছিল, তা বাতিল করা হয়েছে। বলা হচ্ছে, প্রভাবশালী সামরিক বাহিনী তাকে ক্ষমতায় ফিরিয়ে আনতে সর্বাত্মক চেষ্টা করছে।
ইমরান খানকে ঠেকিয়ে রাখতে বিভিন্ন মামলায় তাকে সাজা দেয়া হয়েছে। তাকে অযোগ্য ঘোষণা করা হয়েছে জাতীয় নির্বাচনেও। বিপরীতে নওয়াজের জন্য নির্বাচনের মাঠ অবাধ করে দেয়া হয়েছে। তিনি যাতে ফের প্রধানমন্ত্রী হতে পারেন, তা নিশ্চিত করতেই মাঠ প্রস্তুত করা হচ্ছে। খবর ওয়াল স্ট্রিট জার্নাল ও গার্ডিয়ানের।
ইমরান খানের দ্বিতীয়বারের প্রধানমন্ত্রিত্ব হবে বিপর্যয়কর
পাকিস্তানের সাবেক প্রধানমন্ত্রী ইমরান খানের ভাগ্যে কী ঘটতে যাচ্ছে, দেশটিতে গত চার মাসজুড়ে সেটিই ছিল আলোচনার কেন্দ্রবিন্দুতে। দুর্নীতির দায়ে তাকে দোষী সাব্যস্ত করা হয়েছে এবং তিনি সাজাও পেয়েছেন। আগামী ৮ ফেব্রুয়ারি পাকিস্তানের জাতীয় নির্বাচন। তাতে ইমরান খানের দল পাকিস্তান তেহরিক-ই-ইনসাফের (পিটিআই) পরাজয় নিশ্চিত করতে অঙ্গীকারাবদ্ধ বলে মনে হচ্ছে সামরিক বাহিনীকে। সংকটে জর্জরিত দক্ষিণ এশিয়ার দেশটিতে সাবেক এ কিংবদন্তি ক্রিকেট তারকাকে সর্বশেষ আশার বাতিঘর হিসেবে দেখছেন তার সমর্থকরা।

একটি মন্তব্য পোস্ট করুন